Back

Home

A+ A A-

返回

বিশ্বব্যাপী মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বড় দেশের মনোভাব চীনের

2020-04-19 17:46:44

কোভিড-১৯ সংক্রমণের পর, চীনে এই ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৩ সালের এসএআরএসে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে বিদেশে এই ভাইরাস পরিস্থিতি গুরুতর। চীন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম পর্যায়ের সাফল্য অর্জন করেছে। এ সাফল্য এসেছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও সকল চীনা জনগণের যথাসাধ্য প্রচেষ্টার কারণে। চীন নিজের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি, বিদেশেও অনেক সহায়তা দিয়েছে ও দিচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এক বড় দেশের দায়িত্বশীল মনোভাব ফুটে ওঠে। আজকের 'জীবন যেমন' আসরে আমরা বড় দেশের দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে কথা বলবো।

১. যথাযথভাবেই বিশ্বের কাছে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব জানানো

কোভিড-১৯ সংক্রমণ শুরুর পর, চীন সরকার সক্রিয়ভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ও আন্তর্জাতিক সমাজের কাছে সংশ্লিষ্ট তথ্য জানিয়ে দেয়। প্রতিদিনের সর্বশেষ তথ্য জানানোয় চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান হু'র কর্মকর্তারা। সময়মতো তথ্যের আদানপ্রদান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মহামারীটির পরিস্থিতি বুঝতে এবং প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রস্তুতি নিতে সময় ও সুযোগ দেয়।

২. এই ভাইরাসের গবেষণাফলাফল আন্তর্জাতিক সমাজের সঙ্গে শেয়ার করা

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে চীনা অ্যাকাডেমিক মহলের গবেষণাযর ফলাফল যথাযথভাবে শেয়ার করা হয়েছে। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর, চীনা বিজ্ঞানীরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাসের পুরো জিনোম নির্ণয় করেন এবং সফলভাবে একটি দ্রুত পরীক্ষার কিট তৈরি করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে সে জ্ঞান শেয়ার করেন।

৩. ভাইরাসের নিয়ন্ত্রণকাজ সুষ্ঠুভাবে চালানোর সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, চীন বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিনে পরিণত হয়। এই ভাইরাসের প্রেক্ষাপটে চীনা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাজ বন্ধ করা নিঃসন্দেহে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছে। দেশ-বিদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করার ফলে চীন সরকার সময়োপযোগী ব্যবস্থা নিতে পেরেছে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে চীনে বড় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উত্পাদনকাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। এটি একটি মহান শক্তির দায়িত্বশীল মনোভাবের গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশও বটে।